বাংলাদেশের সমকালীন শিল্পচর্চায় সাংগঠনিক শিল্প উদ্যোগ : বৈশ্বিক পরিসরে স্থানিক প্রবণতার পর্যবেক্ষণ: বৈশ্বিক পরিসরে স্থানিক প্রবণতার পর্যবেক্ষণ

বিশ্বপরিসরে, বিশেষত পাশ্চাত্যে, শিল্পসংগঠন এবং শিল্প-উদ্যোগের বহু প্রচেষ্টা এবং প্রতিষ্ঠা দেখা যায় বিগত শতকের প্রারম্ভে যখন বিবিধ নিরীক্ষা, আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে সমসাময়িক সমাজ-রাজনীতির মাঝে মানবিক নানা অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে প্রয়াসী হয় শিল্পীরা৷ এর ফলশ্রুতিতে শিল্প মাধ্যমগত নিরীক্ষা এবং কৈবল্যবাদী...

Descripció completa

Guardat en:
Dades bibliogràfiques
Autor principal: সরকার , ধীমান
Format: Online
Idioma:anglès
Publicat: Sage Harvard Style G| 2024
Accés en línia:http://journals.juniv.edu/index.php/jurpc/article/view/109
Etiquetes: Afegir etiqueta
Sense etiquetes, Sigues el primer a etiquetar aquest registre!
Descripció
Sumari:বিশ্বপরিসরে, বিশেষত পাশ্চাত্যে, শিল্পসংগঠন এবং শিল্প-উদ্যোগের বহু প্রচেষ্টা এবং প্রতিষ্ঠা দেখা যায় বিগত শতকের প্রারম্ভে যখন বিবিধ নিরীক্ষা, আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে সমসাময়িক সমাজ-রাজনীতির মাঝে মানবিক নানা অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে প্রয়াসী হয় শিল্পীরা৷ এর ফলশ্রুতিতে শিল্প মাধ্যমগত নিরীক্ষা এবং কৈবল্যবাদী বা ফর্মালিস্ট প্রকাশকে উত্রেও ভাষায়, ভঙ্গিতে, প্রবণতায় এবং সমাজ সচেতনতায় বহুমাত্রিক চরিত্র অর্জন করে অগ্রসর হতে থাকে যা বিশ শতকের প্রসারমান অর্থব্যবস্থার পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে নিয়তই বিকশিত হতে থাকে৷ এসব সংগঠন, সময় এবং পরিস্থিতির অভিঘাতে বিলীন হবার মাধ্যমে ব্যক্তিশিল্পীর প্রতিষ্ঠা বিগত শতকে একটি নৈমিত্তিক বিষয় হলেও শিল্পের সমসাময়িক প্রকাশভঙ্গিতে ক্রমাগত নতুনতর সংযোজন এবং সম্ভবনার সূত্রপাতে এসকল শিল্প সংগঠনের অবদান অনস্বীকার্য৷ বিগত শতকের দাদা আন্দোলন কিংবা তার উত্তরসুরিতা হিসেবে সুরিয়ালিস্ট আন্দোলন এমন কিছু সাংগঠনিক তত্পরতারই ফলাফল৷ বিংশ শতকের গ্লোবাল বাণিজ্য নীতির বিস্তার এবং এর অন্তীমে নিওলিবারেল অর্থনীতির কারণে শিল্প হয়ে উঠল বিশ্বের বহুজাতিক কোম্পানিসমূহের অর্থলগ্নীকরনের একটি মাধ্যম এবং শিল্পের সংগ্রহ, প্রচার এবং পৃষ্ঠপোষকতাসহ পুরো প্রক্রিয়াটি এই বাণিজ্যনীতির এক জরুরি অনুষঙ্গ হিসেবেই প্রতিষ্ঠা পেতে থাকে৷ একটি উত্তর ঔপনিবেশিক বাস্তবতায় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশে এমন শিল্প সংগঠনের উদ্যোগ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসেনি; বরং তা অনেকটাই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফান্ড, পোষকতা এবং বৃত্তির সুবাদেই বিকশিত হতে থাকে৷ এসকল সাংগঠনিক তত্পরতা বিশ শতকের অন্তীমে এবং একবিংশ শতকের শুরুতে যেসকল শিল্পপ্রয়াসকে উজ্জীবিত করেছে তা স্থানিক পরিচয়ে কতটা সমুন্নত থেকে আন্তর্জাতিক হয়ে উঠেছে, কিংবা কেবল বিশ্বায়িত বাণিজ্যনীতির আবর্তেই প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে তার প্রকাশভঙ্গির নির্মাণ তা গবেষণাসাপেক্ষ ৷