নলিনী বেরার ছোটগল্প : প্রান্তজনের আখ্যান: প্রান্তজনের আখ্যান
বাংলা কথাসাহিত্যে নলিনী বেরা (জ. ১৯৫২) এক স্বতন্ত্র নাম৷ সত্তরের দশক থেকে বাংলা কথাসাহিত্যে যে নবযাত্রা তার অন্যতম সহযাত্রী তিনি৷ এই সময়ে গ্রাম দিয়ে শহর ঘিরে ফেলার যে চেষ্টা চলেছিল সেই রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে বদলে গিয়েছিল বাংলা কথাসাহিত্যের গতিমুখ৷ এক ঝাঁক নতুন লেখক উঠে এসেছিলেন নানান জেলা থেকে৷ তাঁদের...
Gorde:
| Egile nagusia: | |
|---|---|
| Formatua: | Online |
| Hizkuntza: | ingelesa |
| Argitaratua: |
Sage Harvard Style G|
2024
|
| Sarrera elektronikoa: | http://journals.juniv.edu/index.php/jurpc/article/view/111 |
| Etiketak: |
Etiketa erantsi
Etiketarik gabe, Izan zaitez lehena erregistro honi etiketa jartzen!
|
| Gaia: | বাংলা কথাসাহিত্যে নলিনী বেরা (জ. ১৯৫২) এক স্বতন্ত্র নাম৷ সত্তরের দশক থেকে বাংলা কথাসাহিত্যে যে নবযাত্রা তার অন্যতম সহযাত্রী তিনি৷ এই সময়ে গ্রাম দিয়ে শহর ঘিরে ফেলার যে চেষ্টা চলেছিল সেই রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে বদলে গিয়েছিল বাংলা কথাসাহিত্যের গতিমুখ৷ এক ঝাঁক নতুন লেখক উঠে এসেছিলেন নানান জেলা থেকে৷ তাঁদের লেখায় রূপ লাভ করেছিল চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মালদহ, মুর্শিদাবাদ ইত্যাদি জেলার মত গাঁ-গঞ্জের মাটির কাছাকাছি মানুষের আখ্যান৷ এসব লেখার জাত এবং ধাত উভয়ই আলাদা৷ স্বভূমি, স্বজনদের জীবনচরিত, তাদের পাওয়া না-পাওয়ার গল্পকে শিল্পরূপ দান করেছিলেন তাঁরা৷ এই সময়েই ওড়িশা ঘেঁষা মেদিনীপুর জেলা থেকে এসেছিলেন নলিনী বেরা৷ যিনি আশৈশব আপণ ভূখণ্ডটিকে দেখেছেন পরম মমতায়, পড়েছেন নিজ অঞ্চলের পুরাণ, ইতিহাস আর যাপন করেছেন ঐ অঞ্চলের লোকজ জীবন৷ আর তারই শিল্পরূপ দানে ঋদ্ধ করেছেন আপণ সংস্কৃতিকে৷ পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা সীমান্তবর্তী সুবর্ণরেখা নদী তীরের বিচিত্র জনপদের বৈচিত্র্যময় জীবনচিত্র অংকনই শুধু নয়, বরং তাদের প্রান্তীয় জীবনজিজ্ঞাসার সুতীব্র উচ্চারণে তাঁর গল্প কীভাবে হয়ে উঠেছে প্রকৃত ভারতীয় বাস্তবতার শিল্পরূপ তারই অনুসন্ধান বর্তমান গবেষণার লক্ষ্য৷ উল্লেখ্য, বর্তমান গবেষণায় বর্ণনামূলক, তুলনামূলক ও বিশ্লেষণাত্মক পদ্ধতি অনুসৃত হয়েছে ৷ |
|---|