শিল্প আঙ্গিক হিসাবে এ্যাপলিক আর্ট,প্রেক্ষিত বাংলাদেশ।

শিল্পের মর্মে নিহিত অশেষ সৌন্দর্য। আর শিল্পী সৌন্দর্যের সাধনা করে জীবনভর। যিনি শিল্পী তিনি তার ব্যক্তিগত ভাবনাকে শিল্পে রুপ দেবার চেষ্টা করেন। মানসলোকে  কত ভাবনার উদয় হয়, সেই বিচিত্র ভাবনাগুলো, মনের আবেগ অনুভূতিগুলো, কল্পনাগুলো তাদের চিন্তা চেতনার প্রকাশ ঘটাতে চায় সুন্দর করে, সুন্দর উপায়ে।...

Popoln opis

Shranjeno v:
Bibliografske podrobnosti
Glavni avtor: Reza, Shamim
Format: Online
Jezik:angleščina
Izdano: Journal of Fine Art Studies 2016
Online dostop:http://journals.juniv.edu/index.php/fas/article/view/136
Oznake: Označite
Brez oznak, prvi označite!
Opis
Izvleček:শিল্পের মর্মে নিহিত অশেষ সৌন্দর্য। আর শিল্পী সৌন্দর্যের সাধনা করে জীবনভর। যিনি শিল্পী তিনি তার ব্যক্তিগত ভাবনাকে শিল্পে রুপ দেবার চেষ্টা করেন। মানসলোকে  কত ভাবনার উদয় হয়, সেই বিচিত্র ভাবনাগুলো, মনের আবেগ অনুভূতিগুলো, কল্পনাগুলো তাদের চিন্তা চেতনার প্রকাশ ঘটাতে চায় সুন্দর করে, সুন্দর উপায়ে। তারা বিভিন্ন আঙ্গিকে বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের সেই অভিব্যক্তিগুলো উপস্থাপন করেন। কেউ বেছে নেন রং তুলি ক্যানভাস আবার কেউ বা কাঠ, পাথর, বাঁশ, কাপড়। যে যে মাধ্যমে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সেটাই তার প্রকাশ মাধ্যম এই শিল্পমাধ্যমের অন্যতম হচ্ছে এ্যাপলিক। মানুষের শিল্প সাধনার ইতিহাসের ধারায় এ্যাপলিক আর্ট আপন বৈভবে সমুজ্জল। কিন্তু বহুল চর্চিত নয় তবে অনভিজাতও নয়। এ্যাপলিক শিল্প আমাদের দেশে খুব পরিচিত নাম নয়। দেশের স্বনামধন্য শিল্পীগণ একে মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করে এ মাধ্যমে বিস্তর কাজ করেছেন এরূপ প্রমাণ নেই। সেই কারণেই এই মাধ্যমে খুব বেশী শিল্পকর্ম রচিত হয়নি। হাতে গোনা কয়েকজন শিল্পীকে দেখা গিয়েছে এই মাধ্যমে শিল্পকর্ম রচনা করতে। তারাও এই মাধ্যমে শেষ পযর্ন্ত স্থির থাকেননি। অন্য মাধ্যম নিয়ে পরবর্তী কালে চিত্র রচনা করেছেন। অথচ এই মাধ্যমে আমাদের দেশে অতি প্রাচীন কাল হতেই কাজ হয়েছে। সে বিবেচনায় এর ইতিহাসটাও সর্বসাধারনের কাছে স্পষ্ট হওয়া চাই।