দক্ষিণ এশিয়ায় তারা মূর্তির উদ্ভব, বিবর্তন ও বিস্তার
দেবী হিসেবে তারার নাম বর্তমানে বেশি শোনা না গেলেও পূর্বে দক্ষিণ এশিয়া অর্থাৎ ভারত উপমহাদেশে তারা দেবী অনেক জনপ্রিয় ছিলেন। বৌদ্ধ এবং হিন্দু উভয় ধর্মেই তারা দেবীর উপস্থিতি রয়েছে। জৈন ধর্মেও তারা দেবীর উপস্থিতি রয়েছে, তবে সেখানে তার গুরুত্ব সামান্য। মহাযান বৌদ্ধ ধর্মে দেবী তারাকে সাধারনত বুদ্ধ এবং বোধি...
Saved in:
| Hovedforfatter: | |
|---|---|
| Format: | Online |
| Sprog: | engelsk |
| Udgivet: |
Sage Harvard Style G|
2024
|
| Fag: | |
| Online adgang: | http://journals.juniv.edu/index.php/jurpc/article/view/149 |
| Tags: |
Tilføj Tag
Ingen Tags, Vær først til at tagge denne postø!
|
| Summary: | দেবী হিসেবে তারার নাম বর্তমানে বেশি শোনা না গেলেও পূর্বে দক্ষিণ এশিয়া অর্থাৎ ভারত উপমহাদেশে তারা দেবী অনেক জনপ্রিয় ছিলেন। বৌদ্ধ এবং হিন্দু উভয় ধর্মেই তারা দেবীর উপস্থিতি রয়েছে। জৈন ধর্মেও তারা দেবীর উপস্থিতি রয়েছে, তবে সেখানে তার গুরুত্ব সামান্য। মহাযান বৌদ্ধ ধর্মে দেবী তারাকে সাধারনত বুদ্ধ এবং বোধিসত্ত্ব রূপে দেখানো হয়। হিন্দু ধর্মের শাক্ত ধারায় নারী শক্তি রূপে তারার উপস্থিতি রয়েছে। অবিভক্ত ভারত এবং বাংলায় তারা দেবীর অনেক ভাস্কর্য পাওয়া যায়। এ থেকে ধারণা করা যায় এক সময়ে এ অঞ্চলে তারা দেবী অনেক জনপ্রিয় ছিলেন। তারা দেবীকে প্রধানত বিপদতাড়িনী হিসেবে পূজা করা হয়। বিশেষ করে পানিতে কেউ বিপদে পড়লে তাকে উদ্ধার করে। তিনি পানিতে থাকাকালীন অবস্থায় দিকনির্দেশনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রন করেন বলে জানা যায়। সংস্কৃত তারা (Tara) শব্দের অর্থ “সাঁতার কেটে পার হওয়া” (to swim across) । তিব্বত, চীন, জাপান, কোরিয়া সব জায়গাতেই তারা নামটি একই অর্থ বহন করে। বৌদ্ধ ধর্মে তারা দেবী ঠিক কবে থেকে এসেছে তা জানা যায়না, তবে ইলোরা গুহায় তার সবচেয়ে প্রাচীণ ভাস্কর্যের নিদর্শন পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। তাঁর ভাস্কর্যগুলো ছয় শতকের পর থেকে নির্মিত হতে শুরু করেছে ধারণা করা যায়। ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের আগ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় সে অর্থে অনেক তারা ভাস্কর্য পাওয়া যায়। বর্তমানে তিব্বত, চীন, জাপান, নেপাল, ভুটান, মঙ্গোলিয়ার বৌদ্ধ ধর্মালম্বিদের মাঝে তারা দেবীর পূজা প্রচলিত রয়েছে। |
|---|