জীববৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণ, মানচিত্রায়ন এবং বন্যপাণীর অভয়ারণ্যগুলোর সন্ধান: : জাহাঙ্গীরনগর বিশবিদ্যালয় কেন্দ্রিক একটি সমীক্ষা
প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ এবং সবুজের সমারোহ, নানারকম জীববৈচিত্র্যের সমদ্ধ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। এই গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বসবাস করা বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর অবস্থান ও বাসস্থানের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। মূলত ক্যাম্পাসে বসবাস করা প্রানীদের মধ্যে ৮ প্রজাতির উভচর, ১৪ প্রজাতির...
שמור ב:
| Main Authors: | , , |
|---|---|
| פורמט: | Online |
| שפה: | אנגלית |
| יצא לאור: |
Department of Geography and Environment
2025
|
| נושאים: | |
| גישה מקוונת: | http://journals.juniv.edu/index.php/juvps/article/view/165 |
| תגים: |
הוספת תג
אין תגיות, היה/י הראשונ/ה לתייג את הרשומה!
|
| סיכום: | প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ এবং সবুজের সমারোহ, নানারকম জীববৈচিত্র্যের সমদ্ধ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। এই গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বসবাস করা বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর অবস্থান ও বাসস্থানের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। মূলত ক্যাম্পাসে বসবাস করা প্রানীদের মধ্যে ৮ প্রজাতির উভচর, ১৪ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ১০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীদের উপর পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এই গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো ক্যাম্পাসের জীববৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণ করে বন্য প্রাণীদের অভয়ারণ্যগুলো চিহ্নিত করা ও তাদের অবস্থান মানচিত্রে প্রদর্শন করা। ক্যাম্পাসের খোলা মাঠ, আবাসিক এলাকা, ঝোপঝাড়, পুকুর ও ডোবার মতো জায়গাগুলোতেই প্রাণীদের বিচরণ বেশি দেখা যায়। জিআইএস ও রিমোর্ট সেন্সিং (প্রধানত উপগ্রহ চিত্র)পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রাণীর বণ্টন এবং আবাসস্থল সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গবেষণার ফলাফল অনুসারে সমীক্ষা এলাকার ঘন সবুজাচ্ছাদিত (High vegetation) অংশে এবং জলাশয়ের কাছে প্রাণীদের বাসস্থান বেশি দেখা গেছে। তন্মধ্যে বোটানিক্যাল গার্ডেন, ওয়ার্ল্ড লাইফ রেস্কিউ সেন্টার, বিশমাইল বনভূমি এলাকা উল্লেখযোগ্য। ক্যাম্পাসের উন্নয়ন পরিকল্পনায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে অন্তর্ভূক্ত করা প্রয়োজন, এতে করে দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশগত ভারসাম্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। |
|---|