পণ্যায়নের বিরুদ্ধাচরণ ও চলচ্চিত্রে জনমানুষের স্থান: মার্কসবাদী সমালোচনামূলক সাহিত্যতত্ত্বের আলোকে কামার আহমাদ সাইমনের ‘শুনতে কি পাও!’
কামার আহমাদ সাইমন পরিচালিত ‘শুনতে কি পাও!’ (২০১২) চলচ্চিত্রটিকে নির্মাণশৈলী, বিষয়বস্তু, ভাষারীতি ও বাস্তবতার উপস্থাপনের পরিপ্রেক্ষিত থেকে মার্কসবাদী সমালোচনামূলক সাহিত্যতত্ত্বের নিরিখে ব্যাখ্যা করাই এই গবেষণার উদ্দেশ্য। মুক্তির পর থেকেই চলচ্চিত্রটি নির্মাণশৈলী ও বিষয়বস্তুর কারণে আলোচিত। রাখী ও সৌমেন...
Αποθηκεύτηκε σε:
| Κύριος συγγραφέας: | |
|---|---|
| Μορφή: | Online |
| Γλώσσα: | Αγγλικά |
| Έκδοση: |
Department of Journalism and Media Studies, Jahangirnagar University
2024
|
| Θέματα: | |
| Διαθέσιμο Online: | http://journals.juniv.edu/index.php/jjm/article/view/21 |
| Ετικέτες: |
Προσθήκη ετικέτας
Δεν υπάρχουν, Καταχωρήστε ετικέτα πρώτοι!
|
| Περίληψη: | কামার আহমাদ সাইমন পরিচালিত ‘শুনতে কি পাও!’ (২০১২) চলচ্চিত্রটিকে নির্মাণশৈলী, বিষয়বস্তু, ভাষারীতি ও বাস্তবতার উপস্থাপনের পরিপ্রেক্ষিত থেকে মার্কসবাদী সমালোচনামূলক সাহিত্যতত্ত্বের নিরিখে ব্যাখ্যা করাই এই গবেষণার উদ্দেশ্য। মুক্তির পর থেকেই চলচ্চিত্রটি নির্মাণশৈলী ও বিষয়বস্তুর কারণে আলোচিত। রাখী ও সৌমেন এর দাম্পত্য আখ্যানের সাথে আইলাতে বিধ্বস্ত জনজীবন চিত্রিত হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে। দুর্যোগগ্রস্ত মানুষের পুনরুত্থানের প্রয়াস ও নিম্নবর্গীয় যাপনের উপস্থাপন এই চলচ্চিত্র আখ্যানের কেন্দ্রবিন্দু। চলচ্চিত্রের ভাষাগত ধ্রুপদী আয়োজন নির্ভর নির্মাণ কাঠামো এবং পুঁজিবাদী সাজসজ্জার পূজানির্ভর নির্মাণশৈলী থেকে বেরিয়ে সাইমনের নতুন বাস্তবতাড়িত প্রকৃত যাপনকে চিত্রায়িত করার যে প্রয়াস, তা চলচ্চিত্রটিতে উপস্থাপিত প্রান্তিক নিম্নবর্গের মানুষকে দেয় এক নতুন স্বর। আর এই প্রান্তিক গ্রামীণ মানুষের ভেতরকার যাতনার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নব্য-সাম্রাজ্যবাদী আচরণও উঠে এসেছে প্রতীকীভাবে। গবেষণাকর্মটি গুনগতভাবে দেখতে চায় ‘শুনতে কি পাও!’ চলচ্চিত্রটিতে মার্কসবাদী সমালোচনামূলক সাহিত্যতত্ত্বের নানা উপাদান কীভাবে মিশে আছে। গবেষণাকর্মটি ‘শুনতে কি পাও!’ চলচ্চিত্র, কামার আহমাদ সাইমনের সাক্ষাৎকার ও নানাবিধ মার্কসবাদী রচনাকে ভিত্তি করে লিখিত। |
|---|