উপকূলীয় অর্থনীতি ও সামাজিক টেকসই উন্নয়ন: নিঝুম দ্বীপের উপর একটি সমীক্ষা

নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জীবিকার অনিশ্চয়তা মানুষের জীবনমানকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। এই গবেষণার প্রধান লক্ষ্য উপকূলীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক টেকসই উন্নয়নের বর্তমান অবস্থা বিশ্লেষণ করা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নির্ধ...

Descripció completa

Guardat en:
Dades bibliogràfiques
Autors principals: আলী, মোহাম্মাদ, রকিব , মোহাম্মদ রেজাউল, হুদা , খন্দকার মোহাম্মদ শরিফুল, আনসারী , মোহাম্মদ নঈম আজিজ
Format: Online
Idioma:anglès
Publicat: Department of Geography and Environment 2025
Matèries:
Accés en línia:http://journals.juniv.edu/index.php/juvps/article/view/227
Etiquetes: Afegir etiqueta
Sense etiquetes, Sigues el primer a etiquetar aquest registre!
Descripció
Sumari:নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জীবিকার অনিশ্চয়তা মানুষের জীবনমানকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। এই গবেষণার প্রধান লক্ষ্য উপকূলীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক টেকসই উন্নয়নের বর্তমান অবস্থা বিশ্লেষণ করা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নির্ধারণ করা। গবেষণার জন্য ১৩৬ জন উত্তরদাতার নিকট থেকে প্রশ্নমালা জরিপের মাধ্যমে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগ্রহকৃত তথ্য ঝচঝঝ সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিশ্লেষণ এবং চিত্র প্রস্তুতের জন্য অৎপগধঢ় ১০.৮ সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, কৃষি ও মৎস্য নির্ভরতা এখানকার প্রধান জীবিকা হলেও মৌসুমি বৈচিত্র্য এবং দুর্যোগের কারণে জীবিকা প্রায়ই বিঘ্নিত হয়। বিকল্প জীবিকা গ্রহণে ৬৩.২৪% উত্তরদাতার আগ্রহ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জীবিকাগত পরিবর্তনের উচ্চ সচেতনতা একটি ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে। স্বাস্থ্যসেবা ও পানির সুবিধায় কিছু উন্নতি লক্ষ্য করা গেলেও শিক্ষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়ে গেছে। দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং সামাজিক সংগঠনে অন্তর্ভুক্তির হার অপেক্ষাকৃত কম, যা টেকসই উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করছে। গবেষণার আলোকে বলা যায়, নিঝুম দ্বীপের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে বিকল্প জীবিকা সম্প্রসারণ, নারী ক্ষমতায়ন, দুর্যোগ সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং স্থানীয় অংশগ্রহণভিত্তিক পরিকল্পনার ওপর জোর দিতে হবে। এই গবেষণা নিঝুম দ্বীপের উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।