উত্তরাঞ্চলীয় আন্তঃসীমান্ত টাংগন নদীর উপর একটি ভূ-রূপমিতিক বিশ্লেষণ
ভূ-রূপমিতিক বিশ্লেষণ বলতে পরিমাণগত পরিমাপকে বুঝানো হয়। সাধারণত পৃথিবীপৃষ্ঠে ভূ-রূপমিতিক পরিমাপের জন্য নদী অববাহিকাকে আদর্শ ধরা হয়। ভূ-রূপমিতিক পরিমাপকগুলো পৃথিবীর গাঠনিক প্রকৃতি সম্পর্কে গাণিতিক নির্ণয় পদ্ধতি দ্বারা নিরূপণ করা যায়। নদী অববাহিকার ভূ-রূপমিতিক পরিমাপের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য, পানিতত্ত্ব...
Uloženo v:
| Hlavní autoři: | , , |
|---|---|
| Médium: | Online |
| Jazyk: | angličtina |
| Vydáno: |
Department of Geography and Environment
2025
|
| Témata: | |
| On-line přístup: | http://journals.juniv.edu/index.php/juvps/article/view/278 |
| Tagy: |
Přidat tag
Žádné tagy, Buďte první, kdo vytvoří štítek k tomuto záznamu!
|
| Shrnutí: | ভূ-রূপমিতিক বিশ্লেষণ বলতে পরিমাণগত পরিমাপকে বুঝানো হয়। সাধারণত পৃথিবীপৃষ্ঠে ভূ-রূপমিতিক পরিমাপের জন্য নদী অববাহিকাকে আদর্শ ধরা হয়। ভূ-রূপমিতিক পরিমাপকগুলো পৃথিবীর গাঠনিক প্রকৃতি সম্পর্কে গাণিতিক নির্ণয় পদ্ধতি দ্বারা নিরূপণ করা যায়। নদী অববাহিকার ভূ-রূপমিতিক পরিমাপের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য, পানিতত্ত্ব ,বাস্তুতন্ত্র, পানির প্রবাহ, পানিচক্র এবং পানি সম্পদের ভারসাম্য সম্পর্কে জানা যায়। এ গবেষণায় সমীক্ষা এলাকা হিসেবে টাংগন নদী অববাহিকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় আন্তসীমান্ত নদী টাংগন এর প্রবাহ অববাহিকার ভূ-রূপমিতিক পরিমাপকগুলো নির্ণয়, তাদের মাঝে আন্তসম্পর্ক এবং পরিমাপকের বিভিন্নতা ভূ-প্রাকৃতিক ঘটনা প্রবাহে কী প্রভাব রাখে তা আলোচনা করা হয়েছে। টাংগন নদীর ভূ-রূপমিতিক পরিমাপকসমূহ নির্ণয়ের জন্য গবেষকগণ দ্বিতীয় পর্যায়ের দূর-অনুধাবন ভিত্তিক গবেষণা পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন যেখানে ইউএসজিএস (USGS) আর্থ এক্সপ্লোরার এর সাহায্যে উপাত্ত সেট স্যাটেলাইট ভূ-চিত্রাবলী সংগ্রহ করা হয়েছে। জিআইএস পদ্ধতি ব্যবহার করে আর্কজিআইএস ১০.২ (Arc GIS) সফটওয়্যারের মাধ্যমে জলতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের জন্য বিশেষায়িত টুলসেট যা ‘হাইড্রোলজি’ নামে পরিচিত, এর সহায়তায় গবেষণা এলাকার প্রবাহ অববাহিকার ভূ-রূপমিতিক পরিমাপকসমূহ যথাক্রমে-রৈখিক, জ্যামিতিক, বুনট ও বন্ধুরতা বৈশিষ্ট্য হিসেবে নিরূপণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে টাংগন অববাহিকার প্রবাহক্রম (Stream Order), প্রবাহ সংখ্যা (Stream Number), প্রবাহ দৈর্ঘ্য (Stream Length), দ্বিখন্ডন অনুপাত (Bifurcation Ratio), নিষ্কাশন ঘনত্ব (Drainage Density), বন্ধুরতার অনুপাত (Relief Ratio) প্রভৃতি ভূ-রূপমিতিক পরিমাপকসমূহ নির্ণয় করা হয়েছে। গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলের নিরিখে বলা যায়, টাংগন নদীর প্রবাহ বৈশিষ্ট্য ডেনড্রাইটিক ধরণের যেখানে প্রাথমিক প্রবাহের আধিক্য রয়েছে। ভূ-রূপমিতিক পরিমাপসহ পরিমাপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ, বন্যা ঝুঁকি, ভূমির বিবর্তন সম্পর্কে ধারনা লাভ করা যায় যা ভবিষ্যতে ভূমি ও পানি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনাতে সহায়তা করতে পারে। এ গবেষণায় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় আন্তসীমান্ত নদী টাংগন এর প্রবাহ অববাহিকার ভূ-রূপমিতিক পরিমাপকগুলো নির্ণয়ের মাধ্যমে উক্ত নদী অববাহিকার ধরণ হিসেবে ডেনড্রাইটিক প্রণালীকে উপস্থাপন করা হয়েছে। |
|---|