লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বিদ্যমান ভূ-প্রকৃতি ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা চিহ্নিতকরণ এবং বন সহ-ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে অংশীজনের প্রভাব মূল্যায়ন
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য সংরক্ষিত বনাঞ্চল, যেখানে আদিবাসী সম্প্রদায় বহু বছর ধরে বসবাস করে আসছে। জনসংখ্যা দ্রুত হারে বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, বাজারের আকার বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক পরিবর্তন এবং ক্রমাগত দরিদ্রতার ফলে প্রায়শই বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ-ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাত্রাতির...
Guardat en:
| Autors principals: | , , |
|---|---|
| Format: | Online |
| Idioma: | anglès |
| Publicat: |
Department of Geography and Environment
2025
|
| Matèries: | |
| Accés en línia: | http://journals.juniv.edu/index.php/juvps/article/view/282 |
| Etiquetes: |
Afegir etiqueta
Sense etiquetes, Sigues el primer a etiquetar aquest registre!
|
| Sumari: | লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য সংরক্ষিত বনাঞ্চল, যেখানে আদিবাসী সম্প্রদায় বহু বছর ধরে বসবাস করে আসছে। জনসংখ্যা দ্রুত হারে বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, বাজারের আকার বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক পরিবর্তন এবং ক্রমাগত দরিদ্রতার ফলে প্রায়শই বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ-ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে বন উজাড় হচ্ছে। আর এই ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতেই গ্রহণ করা হয়েছে “বন সহ-ব্যবস্থাপনা” কার্যক্রম। এই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হলো লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বিদ্যমান ভূ-প্রকৃতি ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা চিহ্নিত করে "বন সহ-ব্যবস্থাপনা" কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিভিন্ন অংশীজনের প্রভাব মূল্যায়ন করা, স্থানীয় সম্প্রদায়ের উপর এর প্রভাব আলোচনা এবং বন সহ-ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ সমূহ চিহ্নিত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে, প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বন উজাড়, মাটির ক্ষয় এবং জীববৈচিত্রের ক্ষতির পরিমাণ বিশ্লেষণ, ভূমি আচ্ছাদন পরিবর্তনের অবস্থান এবং গতিশীলতা সনাক্তকরণের জন্য ২০০৪ এবং ২০২৪ সালের ল্যান্ডস্যাট স্যাটেলাইট চিত্রগুলি রিমোট সেন্সিং (RS) এবং ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা (GIS) ব্যবহার করে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভূ-প্রকৃতিগত অবস্থার গুণগত পরিবর্তন দেখানো হয়েছে। একইসাথে, ভূমি রূপান্তরের কারণে ভূমির উপর প্রভাব পর্যালোচনা করার জন্য সরেজমিন পরিদর্শন ও একটি প্রশ্নামালা জরিপ পরিচালনা উপাত্ত, উপাত্ত সারণী বিন্যাস ও চিত্রের মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এই গবেষণার মূল পর্যবেক্ষণ হলো, বনের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, জীববৈচিত্র সংরক্ষণ করা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বন ও প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। “বন সহ-ব্যবস্থাপনার” মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা ও সম্প্রদায় ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, যা পরিবেশ ও মানুষের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হবে। |
|---|