উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয় শ্রম বাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী উপস্থিতির প্রভাব

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সর্বশেষ আগমনে বহুমাত্রিক সংকট বিস্তৃত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম সমস্যা হিসেবে রয়েছে স্থানীয় শ্রম বাজার। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বসবাস করছে। যা উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় বসবাসরত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর তুলনায় বর্তমানে দ্বিগুণের বেশি। এতো অল্প সময়ের মধ্যে হঠা...

Celý popis

Uloženo v:
Podrobná bibliografie
Hlavní autor: করিম, মোঃ আলী
Médium: Online
Jazyk:angličtina
Vydáno: Sage Harvard Style G| 2026
Témata:
On-line přístup:http://journals.juniv.edu/index.php/jurpc/article/view/359
Tagy: Přidat tag
Žádné tagy, Buďte první, kdo vytvoří štítek k tomuto záznamu!
Popis
Shrnutí:বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সর্বশেষ আগমনে বহুমাত্রিক সংকট বিস্তৃত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম সমস্যা হিসেবে রয়েছে স্থানীয় শ্রম বাজার। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বসবাস করছে। যা উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় বসবাসরত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর তুলনায় বর্তমানে দ্বিগুণের বেশি। এতো অল্প সময়ের মধ্যে হঠাৎ করে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির ফলে কক্সবাজারের স্থানীয় শ্রম বাজারে প্রভাব হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। এ এলাকায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি ও বসতি স্থাপন করায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনে নানামুখি চাপ এবং বিভিন্ন পর্যায়ে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। যখন শরণার্থীরা বৃহৎ পরিসরে স্থানীয় শ্রমের বাসিন্দাদের সাথে একযোগে শ্রমবাজারে সস্তা শ্রমের সরবরাহ করে স্থানীয় শ্রম বাজারের জন্য তখন একটি “চাপ” সৃষ্টি হয়। এতে পণ্য এবং পরিষেবার আপেক্ষিক মূল্যগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হওয়াও স্বাভাবিক বিষয়। স্থানীয় পর্যায়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বা খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির ফলে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হলেও ভূমিহীন কৃষক বা স্থানীয় শ্রমিকদের সমস্যা বেশ জটিল হচ্ছে। এ গবেষণা প্রবন্ধে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শ্রম বাজারের প্রভাব বলতে স্থানীয় শ্রমের বাজার ও মজুরি বিশ্লেষণ বিশেষ করে কৃষি শ্রমের মজুরি হ্রাস এবং মৎসজীবী বা মৎস শ্রমিক ও শ্রমের মজুরি হ্রাসের নাজুক অবস্থাকে বুঝানো হয়েছে। গবেষণা এলাকা হিসেবে কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ এ দু’টি উপজেলাকে নির্ধারণ করা হয়েছে। মিশ্র পদ্ধতির এ গবেষণায় পরিমাণগত ও গুণগত পদ্ধতিতে তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণার তথ্য ও উপাত্ত দ্বারা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপস্থিতিতে উক্ত দু’টি উপজেলায় স্থানীয় বাজারে শ্রমের যোগান বৃদ্ধির ফলে বেকারত্ব বৃদ্ধি ও সামাজিক বিশৃংঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এ সমস্যা দূরীকরণে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয়দের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান ও আয়বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ সহায়ক হতে পারে।