ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠিদের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর মিশনারী কার্যক্রমের প্রভাব: প্রেক্ষিত দিনাজপুর জেলা

বাংলাদেশের উত্তরের জেলা দিনাজপুরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠিদের মধ্যে মিশনারী কার্যক্রমের প্রভাব বিস্তৃত এবং তা তাদের সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, ভাষাগত এবং সামাজিক কাঠামোকে প্রভাবিত করছে । মিশনারী কার্যক্রম এ সকল নৃগোষ্ঠীর জীবনধারায় বিশেষকরে সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন এনে দিয়েছে। এই গবেষণ...

Full description

Saved in:
Bibliographic Details
Main Author: ইসলাম, মোঃ রবিউল
Format: Online
Language:English
Published: Sage Harvard Style G| 2025
Online Access:http://journals.juniv.edu/index.php/jurpc/article/view/375
Tags: Add Tag
No Tags, Be the first to tag this record!
Description
Summary:বাংলাদেশের উত্তরের জেলা দিনাজপুরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠিদের মধ্যে মিশনারী কার্যক্রমের প্রভাব বিস্তৃত এবং তা তাদের সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, ভাষাগত এবং সামাজিক কাঠামোকে প্রভাবিত করছে । মিশনারী কার্যক্রম এ সকল নৃগোষ্ঠীর জীবনধারায় বিশেষকরে সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন এনে দিয়েছে। এই গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল, মিশনারী কার্যক্রমের মাধ্যমে দিনাজপুর জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠিদের সংস্কৃতি ও সমাজে ঘটে যাওয়া এসব পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে। গবেষণায় গুণগত পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গবেষণার পর্যালোচনায় এটি প্রতীয়মান হয় যে, মিশনারী কার্যক্রমের মাধ্যমে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠি সংস্কৃতি কিছু সংরক্ষিত হলেও, আধুনিকতা এবং ধর্মান্তরের কারণে তাদের অনেক ঐতিহ্য হারিয়ে গেছে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে মিশনারীরা ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠিদের কিছু সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণে সহায়তা করেছে। তবে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে, এসব ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, ভাষা ও বিশ্বাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা দেয়। গবেষণায় আরও প্রতিফলিত হয়েছে যে, মিশনারীরা নৃগোষ্ঠি সম্প্রদায়ের সাঁওতালি ও কুরুখ ভাষায় বাইবেল অডিও এবং অ্যাপ্লিকেশন আকারে নৃগোষ্ঠীদের মধ্যে সরবরাহ করেছে। মিশনারী কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিও সাধিত হয়েছে। তবে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মতে, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠিদের সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং সামাজিক সমন্বয়ের দিকে আরও অধিক মনোযোগ দেয়া হলে, এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সাম্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।