ইংরেজ উপনিবেশে বাঙালি মুসলমানের উপন্যাস : জাতীয় চেতনা ও আত্মপরিচয়ের স্বরূপ
বাংলা উপন্যাসের সূচনালগ্নে মুসলমান ঔপন্যাসিকগণের উপন্যাস পাওয়া যায় না। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের (১৮৩৮-১৮৯৪) দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) প্রকাশের প্রায় পঁচিশ বছর পর মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১১) রচিত উপন্যাস বিষাদ-সিন্ধু (১৮৯১) প্রকাশিত হয়। তার পূর্বে বাঙালি মুসলমানের উপন্যাস রচনার ইতিহাস নেই। যদিও বাঙাল...
Guardat en:
| Autor principal: | |
|---|---|
| Format: | Online |
| Idioma: | anglès |
| Publicat: |
Sage Harvard Style G|
2025
|
| Accés en línia: | http://journals.juniv.edu/index.php/jurpc/article/view/378 |
| Etiquetes: |
Afegir etiqueta
Sense etiquetes, Sigues el primer a etiquetar aquest registre!
|
| Sumari: | বাংলা উপন্যাসের সূচনালগ্নে মুসলমান ঔপন্যাসিকগণের উপন্যাস পাওয়া
যায় না। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের (১৮৩৮-১৮৯৪) দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) প্রকাশের প্রায়
পঁচিশ বছর পর মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১১) রচিত উপন্যাস বিষাদ-সিন্ধু
(১৮৯১) প্রকাশিত হয়। তার পূর্বে বাঙালি মুসলমানের উপন্যাস রচনার ইতিহাস নেই।
যদিও বাঙালি মুসলমানের সাহিত্যচর্চার ইতিহাস বেশ পুরোনো। বিষাদ-সিন্ধুরচনার মধ্য
দিয়ে বাঙালি মুসলমানের উপন্যাসের যে-যাত্রা শুরু হয় তা সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটের
পাশাপাশি ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকেও বিষয়বস্তু হিসেবে যুক্ত করে।
মূলত ঔপনিবেশিক প্রেক্ষাপটে বাঙালি মুসলমানের মধ্যে আত্মপরিচয় নির্মাণের যেআকাক্সক্ষা তৈরি হয় তার প্রভাব সমকালীন উপন্যাসের মধ্যেও লক্ষ করা যায়। সেক্ষেত্রে
বাঙালি মুসলমানের উপন্যাসে জাতীয়তাবাদী উপাদানের সরব উপস্থিতি ঘটে। এই
আলোকে আলোচ্য গবেষণা-প্রবন্ধে ঔপনিবেশিক শাসনামলে বাঙালি মুসলমানের
উপন্যাসে জাতীয় চেতনা ও আত্মপরিচয়ের রাজনীতির স্বরূপ অন্বেষণের চেষ্ট করা
হয়েছে। |
|---|