কক্সবাজারের ফাঁশিয়াখালিতে বন বিপর্যয় ও পুনরুদ্ধার কৌশল: : একটি ল্যান্ডট্রেন্ডার মডেল পদ্ধতি
ফাঁশিয়াখালি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ বন বিভাগের ঘোষিত একটি সংরক্ষিত এলাকা যা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে বনটি মানবসৃষ্ট কার্যক্রম দ্বারা হুমকির সম্মুখীন। এই গবেষণার প্রধান উদ্দেশ্য হলো ১৯৮৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত...
Bewaard in:
| Hoofdauteurs: | , |
|---|---|
| Formaat: | Online |
| Taal: | Engels |
| Gepubliceerd in: |
Department of Geography and Environment
2025
|
| Onderwerpen: | |
| Online toegang: | http://journals.juniv.edu/index.php/juvps/article/view/281 |
| Tags: |
Voeg label toe
Geen labels, Wees de eerste die dit record labelt!
|
| Samenvatting: | ফাঁশিয়াখালি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ বন বিভাগের ঘোষিত একটি সংরক্ষিত এলাকা যা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে বনটি মানবসৃষ্ট কার্যক্রম দ্বারা হুমকির সম্মুখীন। এই গবেষণার প্রধান উদ্দেশ্য হলো ১৯৮৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত Landsat ইমেজ এবং LandTrendr মডেল ব্যবহার করে গবেষণা এলাকার বন বিপর্যয় এবং পুনরুদ্ধারের ধরন মূল্যায়ন করা। এছাড়া NDVI (Normalized Difference Vegetation Index) বর্ণালী সূচক ব্যবহার করে বন পরিবর্তন ধারা নিরূপন করা হয়েছে। এতে NDVI এ পরিবর্তনের সর্বোচ্চ মান ০.৫৬ এবং সর্বনিম্ন মান ০.১। যা বন এলাকার বিপর্যয়ের মাত্রা নির্দেশ করে। মডেল ফিটিং যাচাইয়ের জন্য গবেষণা এলাকায় ৮টি রেফারেন্স পয়েন্ট নেয়া হয়েছে। প্রথম সাতটি পয়েন্টে বিপর্যয় সংগঠিত হওয়ার পর পুনরুদ্ধার হলেও শেষের পয়েন্টিতে বিপর্যয় থেকে উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। ফলাফল হতে দেখা যায়, ২০০৫ ও ২০২৩ সালে উল্লেখযোগ্য বন বিপর্যয় ঘটে, যেখানে যথাক্রমে ৪৭.৮৮ এবং ৩৬.৪৫ হেক্টর এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সবচেয়ে বেশি বিপর্যয় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে ঘটলেও, উত্তর-পূর্ব ও কেন্দ্রীয় অংশে বন পুনরুদ্ধার লক্ষ করা গেছে। এই পুনরুদ্ধার অঞ্চলগুলো প্রমাণ করে যে, কিছু অংশে অভয়ারণ্যটি বাস্তুতন্ত্রগত স্থিতিস্থাপকতা প্রদর্শন করে। বিপর্যয়ের মাত্রানুসারে গবেষণা এলাকাকে উচ্চ, মাঝারি, নিম্ন বন বিপর্যয় ও অপরিবর্তীত বন এলাকা যথাক্রমে ৭.০২, ১৬৭.২২, ২০১.৬৯ ও ৯৬১.০২ হেক্টর। এছাড়া, SMART (Spatial Monitoring and Reporting Tool) পেট্রোলিং দ্বারা প্রাপ্ত মাঠকর্মে তথ্য বিশ্লেষণে মানবসৃষ্ট কাজ যেমন বন দখল (৩০%), অবৈধ কাঠ সংগ্রহ (২০%), অতিরিক্ত জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ (২৫%), এবং বন আগুন (৩%) ছিল বন বিপর্যয়ের কারণ। এই গবেষণা ফাঁশিয়াখালি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় টেকসই বন ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ কৌশল গ্রহণে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখবে। |
|---|